Welcome to GuitarNeverLies by Sazzad Arefeen.
Articles worth reading
ঈদের পরে ফ্রি ভর্তি গীটার ক্লাসে!

ঈদের পরে ফ্রি ভর্তি গীটার ক্লাসে!

access_time June 18, 2018

প্রিয় সবাই, ঈদের পরে আমাদের যেকোনো ব্রাঞ্চে গীটার ক্লাসে ভর্তি হলেই ভর্তি ফি লাগবে না। এই বিশেষ সুযোগ থাকবে নতুন

Top 3 Free Amp Simulators

Top 3 Free Amp Simulators

access_time January 5, 2017

Here are some free amp simulators for you to use at home, which costs absolutely nothing! 😀 Please note that

Ignorance of Equalizer-Know the Truth of being Diverse

Ignorance of Equalizer-Know the Truth of being Diverse

access_time November 15, 2016

Assalamualaikum . Some terms wee need to know before we get in to this : ► Audio Level unit :

তোমার প্রথম Guitar এবং তার গল্প।

তোমার প্রথম Guitar এবং তার গল্প।

তোমার প্রথম Guitar এবং তার গল্প।

access_time July 5, 2016

সবারি প্রথম গীটার কেনার একটি গল্প থাকে, কারো আনন্দের আর কারো হয়তো কষ্টের, Guitar Never Lies এর বন্ধুদের জানাও তোমার সেই গল্প আমাদের নিচের কমেন্ট section এ।

content_copyCategorized under

About author

Sazzad Arefeen

SAZZAD AREFEEN is the guitar player from the band De-illumination, guitar instructor at GuitarNeverLies -The School,official artist of Blackstar amps.

View more articles

5 Comments

  1. Shafayat Shahed
    July 05, 20:30 Shafayat Shahed

    প্রথম একোস্টিক।
    ২০০৫ সালের শুরুর দিকে। এর আগে একবছর ধরে বন্ধুর ভাঙ্গা বাংলা একোস্টিক দিয়ে শিখছিলাম। বলা ভালো ঢংঢং করছিলাম। কারণ, কারোর কাছ থেকে আমার অফিসিয়ালি কোর্স করা হয়নি। তো বন্ধু তার গিটারটা চেয়ে বসে। আমি পুরোই খালি!
    কার কাছে থেকে টাকা চাইবো জানিনা। শেষমেষ মেঝ আপা টাকাটা দেয়। একটা গিভসন জাম্বো পাই অনেক পুরোনো। ১৬০০ টাকা দাম। নিয়ে আসি। মজার বিষয় হলো গিটারটা যার ছিলো সে একে কি ভেবে জানি লাল স্প্রে করে রঙ্গীন ক্যানভাস বানিয়ে দিয়েছিলো!

    বাসায় এনে ছুরি কাঁচি দিয়ে ঘষে ঘষে সব রং উঠাই। তারপর আবার প্র্যাকটিস শুরু করি।
    .
    প্রথম ইলেক্ট্রিক লিড গিটার।
    ২০০৬ সালে অনেক প্র্যাকটিসের পর আমরা একটা শোতে পারফর্ম করি। একটা বিয়ের শো ছিলো সেটা। শো এর পর খুব আপসেট হয়ে যাই একটা লিড গিটার নাই আমার। কিভাবে কিনবো!?
    দুই দিন পরে মেঝ দুলাভাইয়ের ফোন কল আসে। জিজ্ঞেস করেন আমি স্টেজ পারফর্ম করসি যে সত্য নাকি। আমার উত্তরে তিনি সন্তুষ্ট হলে আমাকে জানান তোমার জন্য দশ হাজার টাকা পাঠাচ্ছি তুমি তোমার কি লাগে কিনে নিও! পরে লাগলে আরোও নিও!!!
    .
    এভাবেই আমার প্রথম গিটার কেনা হয় 🙂

    reply Reply this comment
  2. July 13, 00:12 Arif

    ২০০৫ এর দিকে বাসার কাছের এক আঙ্কেলের কাছে একটা ছোট ক্যাসেট প্লেয়ার টাইপের জিনিস দেখলাম। নাম তার ওয়াক ম্যান। ওটায় নাকি আবার গান শোনা যায় নিজের ইচ্ছে মত। আমার বাসায় একটা ৩ ইন ১ ছিলো। ওটায় শুধু মাত্র একটা রেডিও শোনা যেত। নিজের ইচ্ছে মতো গান শোনা যায় কথাটা খুব আকর্ষনিয় লাগার কারনে আঙ্কেলকে বলে দুই দিনের জন্য ওয়াক ম্যানটা বাসায় নিয়ে আসি সাথে ইয়ার ফোনটাও। আর ওই ওয়াক ম্যানটার ভিতর একটা ক্যাসেট ও ছিল। বাসায় আসার আগে শিখে আসলাম যে কিভাবে চালাতে হয়। এনে চালু করলাম, দেখি গান বাজতেছে। গানটা ছিল “ন-না-ণ কোনটায় আসল ন…”, “সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে…” “পাগলা হাওয়ার তরে বন্ধু আসবে বহুদিন পরে…” “মন চাইলে মন পাবে…”। তখন থেকে গান শোনা শুরু। ২০০৬ এর শুরুতে “আর্টসেল” নামের একটা ব্যান্ডের গান শুনি। সাথে আর একটা ব্যান্ড “ব্ল্যাক”। শুনে অবাক হই যে এগুলা আবার কেমন গান। তারপর জানলাম আস্তে আস্তে যে এইগুলাকে রক গান বা মেটাল গান বলে। আস্তে আস্তে এই ধরনের ব্যান্ড খুজতে থাকি আর নতুন নতুন গান শুনতে থাকি। সাথে আরও জানলাম যে এই গান গুলার মূল বাদ্যযন্ত্রের মধ্যে গিটার অন্যতম। তখন থেকেই মুলত গিটার বাজানোর একটা স্বপ্ন জাগে মনে। ২০০৭ এর শেষের দিকের কথা। ক্লাস সিক্সের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হবে হবে। তখন আম্মুকে বলবো বলবো ভাবছিলাম কিন্তু সাহস হচ্ছিল না যে আমাকে একটা গিটার কিনে দিতে হবে। কি করব ভাবতে ভাবতেই একটা বুদ্ধি আসলো। আর্টসেল, ব্ল্যাক এই ব্যান্ড গুলোর সাথে পরিচিত হই আমার বড় ভাই এর কাছ থেকে। ভাইয়াকে বললে একটা কিছু হতে পারে। ভাইয়া তখন ইন্টারে পড়ে, ভাইয়া কিছু বললে আম্মু শুনতে পারে। তাই ভাইয়াকে যেয়ে বললাম আমার পরীক্ষার পরে একটা গিটার কিনে দিতে বল না আম্মুকে। ভাইয়া তখন কি চিন্তা করলো জানি না। পরে আম্মুকে বলল। আমিও যেয়ে একটা তাল দিলাম। যে একটা গিটার কিনে দিলে কি হবে। অসুবিধা তো নাই। দুই ভাইএর অনেক ঘেন ঘেনানির পর শেষ মেষ আম্মু রাজি হলো। এখন কথা হচ্ছে কতটাকা লাগবে? ভাইয়া বলল ৫০০০ টাকা। আম্মু বলল এতটাকা আমি দিতে পারবো না। তোমার আব্বুকে যেয়ে বলো। দুই ভাইএর কেউই আব্বুকে যেয়ে বলবে না আম্মু জানতো। যাহোক পরে রাজি হলো যে কিনে দিবে। ভাইয়ার কলেজের এক বন্ধু ছিলো যিনি গিটার বাজাতে পারতো। উনার সাথে কথা বললো ভাইয়া। অই ভাইয়া বলল যে গিটার কিনতে ঢাকায় যেতে হবে। ঢাকার সাইন্স ল্যাবে ভাল গিটারের দোকান আছে। ও বলতে ভুলে গিয়েছিলাম যে আমার বেড়ে ওঠা গাজীপুরে আম্মুর চাকুরির কারনে। তো সব কিছুর পরে সেই অপেক্ষার পালা শেষ করে সেই দিনটি আসলো যে দিন আমাদের প্রথম গিটারটা কিনতে যাওয়া হবে। সেই দিন ছিল ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ২ তারিখ শনিবার। দিন তারিখ এত স্পষ্ট মনে থাকার কারন গিটার কিনতে আমি যেতে পারব না। যেতে না পারার কারন সেই দিন আমার স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। আমি প্রতিবারই মার্চপাস্টে অংশগ্রহন করতাম। আর সেই দিন মার্চপাস্ট থাকার কারনে আর যেতে পারলাম না। মাঠে মার্চপাস্টের জন্য প্রবেশের সময় দেখি ভাইয়া আর তার বন্ধু ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছে। এর পর সারাদিন উত্তেজনা আর উৎকণ্ঠায় কাটলো। সন্ধার কিছু পরে ভাইয়া একটা কালো গীটারের ব্যাগ নিয়ে বাসায় ঢুকলো। কিন্তু তখনও সাহস হচ্ছিলো না গীটার ধরার। পরে ভাইয়া ব্যাগ খুলে দেখালো যে একটা কালো কালারের গীটার কিনে এনেছে। নাম ছিলো “সিগনেচার”। এভাবেই আমার জীবনের প্রথম গীটার কেনা হলো।

    reply Reply this comment

Submit an answer

Comment Box